Hook
More breakout videos from this creator.
আশ্চর্যজনক ব্যাপার। Apple এবার এই 18 সিরিজের লঞ্চ ইভেন্টে iPhone 18 কে লঞ্চ করে নাই। মানে লঞ্চ হয়েছে শুধুমাত্র 18 Pro আর 18 Pro Max। আর ব্যাড নিউজ হচ্ছে, প্রত্যেকটা মডেলের ফোনেই কিন্তু $100 করে দাম বেড়ে গেছে। সো, অল নিউ 18 সিরিজ-এ কি কি নতুন আপগ্রেড এসেছে তা জেনে নিন। প্রথমে আসি ফোনের ফ্রন্ট ডিজাইনে। গত কয়েক বছর ধরে আমরা শুনতেছিলাম যে ফ্রন্টের এই ডাইনামিক আইল্যান্ডটা সাইজে ছোট হয়ে যাবে। এন্ড দিস ইজ অফিশিয়াল নাউ যে ডাইনামিক আইল্যান্ডটা কিন্তু এখন বেশ ছোট হয়ে গেছে। এন্ড স্ক্রিনের মধ্যে বেশ কিছু ফ্রি স্পেস পাওয়া গেছে যেটা Apple খুব স্মার্টলি ইউটিলাইজ করেছে। যার কারণে এই ডাইনামিক আইল্যান্ড এর আশেপাশে বেশ কিছু নতুন ফিচার দেখা যাবে। এন্ড এই 18 Pro সিরিজটা কিন্তু লঞ্চ হয়েছে টোটাল চারটা কালারে যার মধ্যে এই বারগেন্ডি কালারটা কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় কালার হতে যাচ্ছে। তবে আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি তারা যে এই ব্ল্যাক কালারের iPhone-এ ব্যাক করেছে। তবে ওভারঅল ডিজাইন নিয়ে যদি বলতে চাই তারা 17 সিরিজ থেকে খুব বেশি আপগ্রেড করে নাই। কমপ্লিটলি লুক এ লাইক 17 Pro সিরিজ জাস্ট কালারটা একটু ডিফারেন্ট। বাইরে খুব বেশি চেঞ্জেস না থাকলেও এবার কিন্তু ইন্টারনালি বেশ কিছু বড় চেঞ্জেস নিয়ে আসছে। বিশেষ করে তারা কুলিং সিস্টেমের উপর ম্যাসিভ আপগ্রেড করেছে। যেমন প্রিভিয়াস মডেলের চাইতে 17 Pro তে যে ভেপার চেম্বারটা ইউজ করা হয়েছে এটা প্রায় তিন গুণ বড়। এন্ড এই ভেপার চেম্বারের ভেতরে থাকবে একটা স্পেশাল লিকুইড যেটার নাম হচ্ছে আয়োনাইজড ওয়াটার। এর কাজ হচ্ছে ভেপার চেম্বারের সারফেসের মধ্যে দ্রুত সাইকেল করা, যেটা হিটটাকে টোটালি অ্যাবসর্ব করে নিবে। এন্ড যার কারণে সাসটেইন পারফরম্যান্স এন্ড কুলিং সিস্টেম দুইটাই বেটার হওয়ার কথা। তার সাথে কিন্তু এক্সট্রা একটা লেয়ার এড করা হয়েছে যেটার নাম থার্মাল কন্ডাক্টিভ লেয়ার। এন্ড সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে তারা ডিসপ্লের ঠিক নিচে একটা স্পেশাল ন্যানো টুইন কপার প্লেট ইউজ করেছে। যেটা ডিসপ্লেটাকে হিটিং ইস্যু থেকে দূরে রাখবে। আমরা প্রিভিয়াস বেশ কিছু iPhone এর মডেলে এই হিটিং ইস্যুর কারণে iPhone এ গ্রিন লাইন পড়ে যাওয়া বা পুরো স্ক্রিনটা হোয়াইট হয়ে যাওয়ার মত প্রবলেম ফেস করতে হয়। তাই থিওরিটিক্যালি iPhone 18 Pro সিরিজের যে থার্মাল কন্ট্রোলিং সিস্টেম সেটা ডিসপ্লের জন্য অনেক বেশি সেফ বলে আমার মনে হচ্ছে। এবার আসি সবচেয়ে অবভিয়াস যে আপডেটটা সেটা হচ্ছে A20 Pro প্রসেসর। 2 ন্যানোমিটারের এই প্রসেসরে তারা কিন্তু ইউজ করেছে 6-core CPU, 2 new super cores যেটা প্রিভিয়াস মডেল থেকে অলমোস্ট 20% ফাস্টার। এন্ড 9-core এর একটা GPU যেটা প্রিভিয়াস মডেল থেকে আপ টু 40% ফাস্টার গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স। তবে আমার কাছে সবচেয়ে ম্যাসিভ আপডেট মনে হয়েছে তাদের এই নতুন 32 total cores এর নিউরাল ইঞ্জিন। অন ডিভাইস প্রসেসিং এর জন্য এটা অনেক বড় একটা জাম্প হইতে পারে। আর Apple এখানে খুব স্মার্ট একটা কাজ করেছে। M series এর মত মেমরি চিপগুলো প্রসেসরের খুব কাছাকাছি রাখা হয়েছে। যার কারণে প্রসেসরটা একদম ভেপার চেম্বারের সাথে এটাচড থাকে এন্ড কুলিং সিস্টেমটা আরো বেটার হয়। মানে সিপিইউটা দ্রুত হিট ট্রান্সফার করতে পারে এবং দ্রুত কুল ডাউন হয়ে যাওয়ার কথা। আর iPhone 18 Pro series এর ক্যামেরাতে এন্ড ম্যাসিভ আপগ্রেড কিন্তু এখানেও হয়েছে। বাট শুধুমাত্র তাদের মেইন ক্যামেরা সেন্সরে। বাকি দুইটা কিন্তু আগের মতই আছে। তাদের এই নতুন সেন্সরটাকে তারা বলছে ফিউশন ক্যামেরা। এন্ড প্রথম বারের মত তারা তাদের ফোনে ইউজ করেছে ভেরিয়েবল অ্যাপারচার। আমরা অলরেডি Galaxy S8 থেকে শুরু করে S10 পর্যন্ত এই ভেরিয়েবল অ্যাপারচার এর কনসেপ্টটা আগে থেকেই জানি। মূলত এর কাজ হচ্ছে আপনার ফোনের ক্যামেরা সেন্সরে কি পরিমাণ লাইট ঢুকবে ডিপেন্ডিং অন ইউর এনভায়রনমেন্ট লাইটিং কন্ডিশন সেটাকে কন্ট্রোল করা। আর Android এর একদম শুরু থেকে কিন্তু তারা এই প্রো ফিচারটা তাদের ক্যামেরা সিস্টেমে ইমপ্লিমেন্ট করে রাখছে। যেটা 2026 সালে এসে Apple তাদের ক্যামেরা সিস্টেমে ইন্টিগ্রেট করেছে। অর্থাৎ iPhone 18 series এর ক্যামেরা কিন্তু আপনি ম্যানুয়ালি কন্ট্রোল করতে পারবেন। আর ভিডিও সেকশনে কিন্তু বেশ কিছু আপগ্রেড এসেছে। যেমন Cinematic video গুলোকে 60 FPS এ রেকর্ড করা যাবে এবং নরমাল ক্যামেরাতে রেকর্ড করা ভিডিওগুলো কিন্তু পোস্ট প্রসেসিং এ Cinematic এ কনভার্ট করা যাবে। আর টাইম ল্যাপসে থাকছে 4K HDR সাপোর্ট। তবে ফাইনালি Apple কিন্তু ফাস্ট চার্জিং এর দিকে মুভ করেছে। Apple এর ক্লেইম অনুযায়ী iPhone 18 Pro series মাত্র 15 মিনিটে 50% পর্যন্ত চার্জ হয়ে যাবে। এন্ড ব্যাটারি সেকশনে কিন্তু থাকছে খুব বড় একটা জাম্প। iPhone 18 Pro Max এ পাচ্ছেন 45 hours ভিডিও প্লেব্যাক অন iPhone 18 Pro Max এন্ড 18 Pro তে পাচ্ছেন 36 hours ভিডিও প্লেব্যাক। তবে একটা ব্যাড নিউজ দিয়ে কিন্তু ভিডিওটা শেষ হচ্ছে। সেটা হচ্ছে প্রত্যেকটা মডেলের iPhone এ কিন্তু $100 করে দাম বেড়েছে। যেটা বাংলাদেশে আসার পর অলমোস্ট 15 থেকে 20 হাজার টাকা বেড়ে যাবে। সো এখন প্রশ্ন হচ্ছে iPhone 17 Pro Max থেকে এটা কি খুব ম্যাসিভ আপগ্রেড হয়েছে নাকি Apple আবার সামান্য কিছু চেঞ্জেস করে দামটা খালি বাড়িয়ে দিল। আপনার অপিনিয়ন জানান কমেন্ট সেকশনে।